শৈশব আমাদের সবার জীবনের সবচেয়ে রঙিন সময়। তখনকার ঈদ ছিল আরও রঙিন ও আনন্দময়। বড় হওয়ার পর শৈশবের ঈদকে আমরা খুঁজে ফিরি। বন্ধুসভার বন্ধুরা লিখেছেন শৈশবের সেই ঈদ নিয়ে।
ছোটবেলার ঈদের দিনগুলো ছিল ভীষণ মজার। স্কুলে পড়ার সময় বেশ লম্বা ছুটি পেতাম। আমাদের বাসা চট্টগ্রামে। একবার আমি আর আব্বা সিদ্ধান্ত নিলাম, ঈদের পরের দিন ট্রেনে করে বাড়িতে যাব। রেলস্টেশনে গিয়ে দেখি, তখনো মানুষের ভিড় কমেনি; সবাই ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে যাচ্ছে। আমাদের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। সেখানে ট্রেনে যাতায়াতই সবচেয়ে সুবিধাজনক। তাই ট্রেনেই যাওয়ার পরিকল্পনা। কিন্তু ট্রেনের ভেতরে পা রাখারও জায়গা নেই!
Visit h-doctor.club for more information.
সরল আনন্দঠিক তখনই এক লোক যেন দারুণ এক ব্যবসার আইডিয়া পেয়ে গেল। ১০ টাকা নিয়ে মই দিয়ে মানুষকে ট্রেনের ছাদে উঠিয়ে দিচ্ছিল। আমরাও সেই মই বেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠলাম। ট্রেনভ্রমণ এমনিতেই খুব ভালো লাগে। প্রথমবার ছাদে উঠে যেন যাত্রাটা আরও অন্য রকম হয়ে গেল। রেললাইনের আশপাশের দৃশ্যগুলো অনেক ভালোভাবে দেখা যাচ্ছিল। বিশেষ করে সীতাকুণ্ড পার হওয়ার পর পাহাড়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য—মনে অন্য রকম আনন্দ বয়ে আনে।
বিপত্তি বাধল লাকসাম স্টেশনে পৌঁছে। সেখানে নামার জন্য কোনো মই পাওয়া গেল না। শেষ পর্যন্ত অনেক কষ্ট করে দুই বগির মাঝখান দিয়ে নিচে নামতে হলো। ঈদের সেই স্মৃতি আজও মনে পড়ে।
বন্ধু, চট্টগ্রাম বন্ধুসভা
Read full story at source