The contract reasons that could make a Bo Bichette trade difficult
· NY Post

Visit freshyourfeel.org for more information.
· NY Post

Visit freshyourfeel.org for more information.
· Prothom Alo

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। তারা বলছে, এ নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক চিত্র তুলে ধরে জনগণকে সঠিক তথ্য দিতে সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ জানান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
Visit h-doctor.club for more information.
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজ পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত আছে ৩১ দিনের। এ ছাড়া ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রল, ২৫ দিনের ফার্নেস ওয়েল ও ২০ দিনের জেট ফুয়েল মজুত আছে।
জ্বালানির এই মজুত স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি দাবি করে মনির হোসেন বলেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আসবে। আগামী আগস্টে ডিজেল আসবে আরও ২ লাখ ৪০ হাজার টন। আগামী ৪৮ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না।
তেলের সংকট না থাকার কথা জানানো হলেও গ্যাস–সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমে গেছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহে চাপ কমেছে। কোথাও কোথাও সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি ও সাময়িক ভোগান্তিও দেখা দিয়েছে।
তবে সংবাদ সম্মেলনে মনির হোসেন আশা দিয়েছেন, এটি সাময়িক সমস্যা এবং দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তিনি আরও বলেন, দুটি এফএসআরইউর একটিতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় কিছু সিএনজি স্টেশন প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস নিতে পারছে না এবং কয়েকটি এলাকায় দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। এটি সাময়িক সমস্যা। মেরামতের কাজ চলছে এবং দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফেসবুকে খবর ছড়ায় ‘জ্বালানি তেলের সংকট’, মধ্যরাতে রাজশাহীর ফিলিং স্টেশনে ভিড়যুগ্ম সচিব জানান, পরিবহনে এই সংকট শুধু সিএনজি স্টেশনেই সীমাবদ্ধ, জ্বালানি তেল সরবরাহে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চে সারা বিশ্বে জ্বালানির বাজার অস্থির হয়ে ওঠায় বাংলাদেশেও সংকট দেখা দিয়েছিল। তখন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। আবার তেমন সংকটের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা দেয়।
মনির হোসেন বলেন, দু–একটি মিডিয়ায় লক্ষ করা যাচ্ছে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা জনগণকে জানানো উচিত। অনেক সময় গুজব পীড়াদায়ক হয়। মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। দেশে গ্যাস ও এলএনজি মিলিয়ে চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট জানিয়ে তিনি বলেন, সরবরাহ করা যাচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিছু ঘাটতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা। সরকার চেষ্টা করছে ঘাটতি কমাতে।
এদিকে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এফএসআরইউর কারিগরি ত্রুটি দ্রুত মেরামত করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছেন। একই সঙ্গে সীমিত গ্যাসের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে জরুরি ও অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে সরবরাহ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সংকটের তাৎক্ষণিক কারণ এফএসআরইউর কারিগরি সমস্যা হলেও দীর্ঘদিনের আমদানিনির্ভরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। অতীতে দেশি গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ যথেষ্ট না হওয়ায় আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। ফলে আমদানি অবকাঠামোর কোনো একটি অংশে সমস্যা দেখা দিলেই জাতীয় গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা চাপে পড়ছে।
এই নির্ভরতা কমাতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান যুগ্ম সচিব মনির হোসেন। তিনি বলেন, এর অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে ১০০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আজ অনুষ্ঠিত একনেক সভায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় ৭২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি নতুন কূপ খননের একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।
এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, কমেছে গ্যাসের সরবরাহ· Rolling Stone