Vogue Williams recalls her 'embarrassment' over divorce from Brian McFadden at 30 and feared she wouldn't have kids or get married again before meeting Spencer Matthews
· Daily Mail

· Daily Mail

· Prothom Alo

ভারতে জনসংখ্যা পর্যালোচনার জন্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি (হাই লেভেল কমিটি অন ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জেস) বিভিন্ন নাগরিক তথ্যের ধর্মভিত্তিক হিসাব চেয়েছে।
Visit salonsustainability.club for more information.
এই নথিতে বিগত ১৫ বছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র ভর্তি, গাড়ি কেনাবেচার হিসাব, জন্ম নথিভুক্তকরণ এবং জমি-সম্পত্তি হস্তান্তরের মতো ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক তথ্য দিতে ভারতের রাজ্যগুলোকে বলা হয়েছে। যদিও এভাবে তথ্য দেওয়া প্রায় অসম্ভব বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য।
বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, এটি স্পষ্টই একটা ‘স্পষ্টত অত্যন্ত খারাপ উদ্দেশ্যমূলক কর্মসূচি’। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই কমিটির একটি স্পষ্ট ও পক্ষপাতদুষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। দেখা যাবে, চূড়ান্ত রিপোর্ট হয়তো আগেই তৈরি করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের মে মাসে সাবেক বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলকরের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি সম্প্রতি রাজ্য সরকারগুলোর কাছে ৩৫ দফার একটি বিস্তারিত প্রশ্নাবলি পাঠিয়েছে। এই নথিতে বিগত ১৫ বছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র ভর্তি, গাড়ি কেনাবেচার হিসাব, জন্ম নথিভুক্তকরণ এবং জমি-সম্পত্তি হস্তান্তরের মতো ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মান্তরসংক্রান্ত গোয়েন্দা প্রতিবেদন, বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত উপাসনালয় এবং আধার, ভোটার কার্ড বা রেশন কার্ড অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিবরণ চাওয়া হয়েছে। তফসিলি উপজাতিদের একটা বড় অংশ ভারতে খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী।
ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, রাজ্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এ ধরনের নিত্যদিনের নাগরিক সেবার তথ্য ধর্ম পরিচয়ের ভিত্তিতে আলাদা করে রাখা হয় না। ফলে এত বিপুল ও জটিল তথ্য সরবরাহ করা রাজ্যগুলোর পক্ষে কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই এই উচ্চপর্যায়ের কমিটির কাজ দ্রুত শেষ করতে গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে বিরোধী শিবিরের মূল উদ্বেগ হলো, নিরপেক্ষ গবেষণার দোহাই দিয়ে সাধারণ নাগরিক পরিষেবা, শিক্ষা ও সম্পত্তির মতো মৌলিক বিষয়ে ধর্মভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াটি সমাজে বিভাজন তৈরি করবে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষদের অধিকারকে সংকুচিত করতে ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কংগ্রেসের অভিযোগ
কংগ্রেসের মতে, জনসংখ্যার রূপান্তর পর্যালোচনার মোড়কে এই প্রক্রিয়া মূলত একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে এবং বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও হেনস্তা করার মানসিকতা থেকে পরিচালিত। কংগ্রেসের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা জয়রাম রমেশ এই প্রক্রিয়াকে ‘পেটেন্টলি ডায়াবলিক্যাল এজেন্ডা’ বা ‘স্পষ্টত অত্যন্ত খারাপ উদ্দেশ্যমূলক কর্মসূচি’ বলে চিহ্নিত করেছেন।
কংগ্রেসের বক্তব্য, সীমান্ত জেলাগুলোতে ভোটারের সংখ্যা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চরম অনিশ্চয়তায় পড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রশাসনিক ও ডেটাসংক্রান্ত পূর্ণ সমর্থনের কারণে এই কমিটি সাধারণ পর্যালোচনার চেয়ে অনেক বেশি প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করছে এবং সামাজিক মেরুকরণ ঘটাচ্ছে।
· BBC News
