Hanson says domestic violence a ‘two-way street’
· Sydney Morning Herald
· Sydney Morning Herald
· BBC News

· Prothom Alo
উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যয় বৃদ্ধি কমাতে চার ধরনের সংস্কারে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগে নতুন নীতিমালা, ডিজিটাল নজরদারি, রেট শিডিউল সংশোধন ও জবাবদিহি বৃদ্ধি করা হবে। ছয় মাসের মধ্যে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের আশা করছে সরকার।
আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমান। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড এবং বিভিন্ন সংস্থাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, একনেকের অনুমোদনের পরও অনেক প্রকল্পে কার্যাদেশ পেতে দেড় থেকে দুই বছর সময় লেগে যায়। এতে মাঠপর্যায়ের কাজ পিছিয়ে যায়, ব্যয় বাড়ে এবং এডিপি বাস্তবায়নও বাধাগ্রস্ত হয়। এ কারণে প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের বিভিন্ন উপাদান সংযোজন, বিয়োজন বা পুনর্বিন্যাস করা হবে। পিডি নিয়োগেও নতুন নীতিমালা করা হচ্ছে। এতে স্বচ্ছ নিয়োগ, যোগ্যতাভিত্তিক নির্বাচন, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা থাকবে।
বৈঠকে খুলনার রূপসা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে বিলম্বের ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদন একনেকে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দায়ীদের চিহ্নিত করে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ছয় মাসের মধ্যে বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শেষ হলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়বে, সরকারি জবাবদিহি শক্তিশালী হবে এবং সরকারি বিনিয়োগ আরও কার্যকর হবে।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। আজ বুধবার ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে, সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (প্রথম সংশোধন); বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প; পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প; দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধন); ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধন); সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধন); নতুন গ্যাস অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্প এবং দেশের মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প।
তবে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙনরোধ প্রকল্পটি পর্যবেক্ষণের জন্য ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে এটি আবার একনেকে উপস্থাপন করা হবে।
চার ধরনের সংস্কার কী
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী চার ধরনের সংস্কার নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, প্রথমত, পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত উন্নয়নকাঠামো চূড়ান্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হচ্ছে। তৃতীয়ত, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণ চিহ্নিত করে তা দূর করার সুপারিশ প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইএমইডি একটি প্রতিবেদন দিয়েছে।
চতুর্থত, পরিকল্পনা বিভাগ, আইএমইডি, বাংলাদেশ সরকারি ক্রয় কর্তৃপক্ষ (বিপিপিএ), বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা হচ্ছে।