Clairet Lipide

আজকের বিনিময় হার

· Prothom Alo

আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের মুদ্রাবাজারে লেনদেন চলছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বিভিন্ন কারণে কয়েক মাস ধরেই বিদেশি মুদ্রার দাম ওঠানামা করছে।

Visit betsport.cv for more information.

আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যানুসারে, ডলারের দাম বেড়েছে। বাজারে ডলারের গড় দাম ১২২ দশমিক ৩২ টাকা। কিছুদিন কমার পর আবার বাড়তে শুরু করেছে ডলারের দাম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, বেশির ভাগ প্রধান মুদ্রার দাম বেড়েছে। এ তালিকায় আছে ইউরো, পাউন্ড, অস্ট্রেলীয় ডলার, সিঙ্গাপুরি ডলার, ইউয়ান ও ইয়েনের দাম। অপরিবর্তিত আছে রুপির দাম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার দামের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে খোলাবাজারে বিক্রি হয়। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচও ওঠানামা করে।

Read full story at source

Landon Robinson boosts his 53-man roster odds in Bengals’ win vs. Bears

· Yahoo Sports

Aug 22, 2026; Cincinnati, Ohio, USA; Cincinnati Bengals defensive tackle Landon Robinson (96) prepares for the snap against the Chicago Bears in the first half at Paycor Stadium. Mandatory Credit: Katie Stratman-Imagn Images | IMAGN IMAGES via Reuters Connect

The Cincinnati Bengals hosted the Chicago Bears for both a joint practice and preseason matchup this week.

In Saturday’s game, the Bengals were dominant across the board, in all three phases, moving to 2-0 in preseason play with a 27-9 win over the visiting Bears.

Visit extonnews.click for more information.

The biggest piece to preseason play is the final roster spots up in the air as week one approaches, and the Bengals have quite a few guys showing flashes this month.

One name that has skyrocketed is wideout Dohnte Meyers, but another name that has been stellar this preseason is 7th-round draft pick Landon Robinson.

Robinson grew up a huge Bengals fan and had a decorated career with the Navy Midshipmen before Cincinnati used their final 2026 draft selection to bring him to Cincy.

Saturday night, Robinson was everywhere for the Bengals defense and finished the night with multiple sacks, tackles, and a batted pass.

Robinson was also very disciplined in his assignments, which does not show up in the stat sheet but is crucial to either stopping the run or getting to the quarterback.

The past few years, Robinson would have been a roster lock, but the Bengals front office worked incredibly hard beefing up a horrific defensive line, and now he is fighting for a spot… Which is so good to see.

Based on what we have seen so far, Robinson will likely make the 53-man roster, but the depth is there this year, creating exciting competition for Zac Taylor’s team.

Read full story at source

ঐতিহ্য থেকে লাক্সারি: নতুন রূপে হাউস অব আহমেদ

· Prothom Alo

নতুন একটি ঠিকানা দিয়ে সম্প্রতি নতুন অধ্যায়ে যাত্রা শুরু করছে বাংলাদেশের লাক্সারি ফ্যাশন হাউস ‘হাউস অব আহমেদ’। গুলশান ২–এর ভেঞ্চুরা মলের দ্বিতীয় তলায় সাজানো নতুন এই আউটলেটের মধ্য দিয়ে ব্র্যান্ডটি প্রবেশ করছে তাদের ‘চ্যাপ্টার টু’-এ। রইল বিস্তারিত...

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প ও সংস্কৃতিকে সমকালীন লাক্সারি ফ্যাশনের ভাষায় নতুনভাবে উপস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে নতুন অধ্যায়ে পা রেখেছে দেশীয় লাক্সারি ফ্যাশন হাউস ‘হাউস অব আহমেদ’। গুলশান-২-এর ভেঞ্চুরা মলে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে দ্বিতীয় তলায় সাজানো হয়েছে ব্র্যান্ডটির নতুন আউটলেট।

Visit betsport24.es for more information.

তবে এই নতুন ঠিকানা শুধু একটি বিক্রয়কেন্দ্র নয়; এটি হাউস অব আহমেদের নকশা, দর্শন এবং ক্রেতার অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। এই যাত্রার নাম দেওয়া হয়েছে ‘চ্যাপ্টার টু’। পোশাকের পাশাপাশি এখানে সমান গুরুত্ব পেয়েছে দেশীয় কারুশিল্প, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সমকালীন নকশার মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার ভাবনা। এই অধ্যায় শুধু পুনর্গঠনের নয়, রিইমাজিনিং–এর। অর্থাৎ যা ছিল, তাকে শুধু ফিরিয়ে আনা নয়; বরং অভিজ্ঞতা থেকে শেখা, নকশার নিজস্ব ভাষাকে আরও স্পষ্ট করা এবং ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী একটি ভাবনা তৈরি করা।

সম্প্রতি এই নতুন যাত্রা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে আয়োজিত হয় একটি প্রেস কনফারেন্স। এতে হাউস অব আহমেদের সহপ্রতিষ্ঠাতা আহমেদ তুহিন রেজা ও তানজিলা এলমা ‘চ্যাপ্টার টু’-এর ভাবনা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও হেরিটেজ টেক্সটাইল বিশেষজ্ঞ শেখ সাইফুর রহমান; মডেল, কোরিওগ্রাফার ও এএমটিসির কর্ণধার আজরা মাহমুদ; পাশাপাশি ফ্যাশন অঙ্গনের বিভিন্ন মডেল, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্র্যান্ডটির শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

নতুন অধ্যায়ের তাৎপর্য তুলে ধরে সহপ্রতিষ্ঠাতা আহমেদ তুহিন রেজা বলেন, ‘চ্যাপ্টার টু আমাদের জন্য দারুণ ব্যক্তিগত একটি অধ্যায়। একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে; সময় আমাদের এমনভাবে পরীক্ষা নিয়েছে, যা আমরা কখনো ভাবিনি। তবে একই সঙ্গে এটি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে, কেন আমরা প্রথমবার হাউস অব আহমেদ শুরু করেছিলাম। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে এমন প্রতিভাধর কারুশিল্পী ও কারুশিল্প আছে, আছে আমাদের হেরিটেজ, যা দিয়ে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় গর্বের সঙ্গে লাক্সারি ফ্যাশন তৈরি করা সম্ভব। আমরা আবারও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ আমরা সেই স্বপ্নে বিশ্বাস করি। চ্যাপ্টার টু আমাদের আগের জায়গায় ফিরে যাওয়ার গল্প নয়; বরং আরও স্বচ্ছ ভাবনা, আরও দৃঢ় সংকল্প এবং আরও বড় স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প।’

হাউস অব আহমেদের নকশার কেন্দ্রে আছে বাংলাদেশের কারুশিল্প। জারদৌজি, জামদানিসহ নানা ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও বস্ত্রকে সমকালীন লাক্সারির ভাষায় নতুনভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরতে চায় ব্র্যান্ডটি। দক্ষিণ এশিয়ার বিস্তৃত শিল্প–ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হলেও বাংলাদেশের নিজস্ব পরিচয়ই তাদের প্রতিটি নকশার মূল ভিত্তি।

পোশাকের সঙ্গে লাক্সারি অভিজ্ঞতা

নতুন আউটলেটের পরিকল্পনায় শুধু পোশাক প্রদর্শন বা বিক্রির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি; বরং পুরো জায়গাটিকেই এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে সেখানে প্রবেশের পর একজন ক্রেতা পান পূর্ণাঙ্গ লাক্সারি ফ্যাশন হাউসের অভিজ্ঞতা। দুই তলায় সাজানো এই পরিসরে আছে ভিন্ন ধরনের অথচ পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত অভিজ্ঞতা। একদিকে বিভিন্ন কালেকশন দেখার সুযোগ, অন্যদিকে কতুর, ব্রাইডাল ও বেসপোক পোশাক নিয়ে পরামর্শের জন্য আছে আরও ব্যক্তিগত পরিসর। অর্থাৎ অভিজ্ঞতাটি ধাপে ধাপে এগোবে পোশাক আবিষ্কার থেকে ব্যক্তিগত পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী পোশাক তৈরির দিকে। অন্দরসজ্জাতেও প্রতিফলিত হয়েছে হাউস অব আহমেদের একই দর্শন। পোশাকে যেভাবে হেরিটেজকে সমকালীন নকশার দৃষ্টিতে উপস্থাপন করা হয়েছে, অন্দরসজ্জাতেও অনুসরণ করা হয়েছে সেই ভাবনা। পরিশীলিত, উষ্ণ ও মার্জিত পরিবেশের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে পোশাকের কারুশিল্পকে। পোশাকের জমিন, অলংকরণ ও নকশায় ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানের প্রতিফলনও দেখা যায় আউটলেটের অন্দরসজ্জায়।

লাক্সারি পোশাকে নতুন বৈচিত্র্য

নতুন আউটলেটে হাউস অব আহমেদের স্বাক্ষরধর্মী কতুর ও বিশেষ আয়োজনের পোশাকের পাশাপাশি থাকছে ব্রাইডাল ও ফ্যাস্টিভ কালেকশন। তবে ব্র্যান্ডটির আয়োজন শুধু বিয়ে বা বিশেষ অনুষ্ঠানের পোশাকেই সীমাবদ্ধ নয়। দৈনন্দিন প্রিমিয়াম পরিধানের জন্য থাকছে তাদের ফ্রাইডে সিগনেচার কালেকশন। ‘চ্যাপ্টার টু’-তে হাউস অব আহমেদের নিজস্ব নকশাভাষার নতুন কিছু প্রকাশও দেখা যাবে। থাকছে বিশেষভাবে বাছাই করা পোশাকের আয়োজন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশেষ ও লিমিটেড এডিশনের পোশাক নিয়ে আসার পরিকল্পনাও আছে ব্র্যান্ডটির। এর মাধ্যমে ক্রেতাদের জন্য আরও স্বতন্ত্র ও এক্সক্লুসিভ পোশাক বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে চায় হাউস অব আহমেদ।

ক্রেতার পছন্দই যেখানে মুখ্য

হাউস অব আহমেদের নতুন আউটলেটে পোশাক কেনার পুরো অভিজ্ঞতাকেই আরও ব্যক্তিগত ও যত্নশীল করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্রেতার পছন্দ ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাক বেছে নেওয়া থেকে শুরু করে পরামর্শ ও ফিটিং, প্রতিটি ধাপেই রাখা হয়েছে আলাদা মনোযোগ। শুরুতে পরামর্শ নেওয়া থেকে শুরু করে পোশাকের শেষ ফিটিং পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে গুরুত্ব পাবে ক্রেতার পছন্দ, প্রয়োজন এবং যে আয়োজনকে ঘিরে পোশাকটি তৈরি হচ্ছে, তার বিশেষত্ব। বেসপোক পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে ক্রেতার অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে হাউস অব আহমেদ।

নকশা, কাপড় ও রং নির্বাচন থেকে শুরু করে কারুকাজ, অলংকরণ  প্রতিটি ধাপেই ব্র্যান্ডটির দলের সঙ্গে সরাসরি মতামত ও পছন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। ফলে পোশাকটি শুধু একটি নির্দিষ্ট নকশার তৈরি পোশাক হয়ে থাকবে না; বরং এর প্রতিটি খুঁটিনাটিতে ফুটে উঠবে পরিধানকারীর নিজস্ব পছন্দ ও ব্যক্তিত্ব। হাউস অব আহমেদের লক্ষ্য, শেষ পর্যন্ত এমন একটি পোশাক তৈরি করা, যা ক্রেতার কাছে একান্তই নিজের মনে হবে।

বিয়ের পোশাকে ব্যক্তিগত ছোঁয়া

হাউস অব আহমেদের পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো ব্রাইডাল কতুর। নতুন আউটলেটে সেই অভিজ্ঞতাকেই আরও ব্যক্তিগত ও যত্নশীল করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কনের পোশাক তৈরির শুরুতেই গুরুত্ব দেওয়া হবে তাঁর নিজস্ব ভাবনা, রুচি ও বিয়ের আয়োজনের ধরনকে। বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পোশাকের মাধ্যমে প্রকাশ করতে চাওয়া আবহ ও অনুভূতি—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এগোবে নকশার পরিকল্পনা। এরপর কাপড় ও কারুশিল্প নির্বাচন থেকে শুরু করে ফিটিং, অলংকরণ ও শেষ কাজ—প্রতিটি ধাপেই থাকবে কনের পছন্দের প্রতিফলন। কতুর ও ব্রাইডাল ক্রেতাদের জন্য থাকছে ব্যক্তিগত পরামর্শ এবং নির্ধারিত সময়ে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সুবিধা। পোশাকের ধরন, কাপড়, কারুকাজ, ফিটিং থেকে সাজের সঙ্গে সমন্বয়—সবকিছু নিয়েই ব্র্যান্ডটির দলের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ থাকবে। ফলে বিয়ের পোশাক তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি হবে আরও স্বচ্ছন্দ, গোছানো এবং কনের নিজস্ব রুচিকেন্দ্রিক।

এই নতুন অধ্যায়কে শুধু নকশা ও পোশাকের পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন না হাউস অব আহমেদের সহপ্রতিষ্ঠাতা তানজিলা এলমা। তাঁর মতে, এটি হাউস অব আহমেদের আবেগ ও সৃজনশীলতারও বিবর্তন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে লাক্সারি সব সময়ই একটি পোশাকের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সেই সব হাত, যেগুলো একটি পোশাক তৈরি করে; তাই এটি কেবল পোশাক নয়, বরং একেকটি পোশাকের ভেতরে বোনা একেকটি গল্প। পাশাপাশি সেই সংস্কৃতি, যা এই সৃজনশীলতাকে অর্থবহ করে তোলে। চ্যাপ্টার টু আমাদের নিজেদের তৈরি করা সবকিছুর দিকে নতুন করে তাকানোর, সেগুলোকে আরও পরিশীলিত করার এবং আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। আমরা চাই, হাউস অব আহমেদ এমন একটি নাম হয়ে উঠুক, যা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবে। যেখানে আমাদের হেরিটেজ শুধু সংরক্ষিত হবে না, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে তো বটেই, বৈশ্বিক ক্রেতাদের জন্যও নতুনভাবে উপস্থাপন করা হবে।’

ঐতিহ্য থেকে আধুনিক লাক্সারি

হাউস অব আহমেদের নকশার মূল ভিত্তি বাংলাদেশের বস্ত্র–ঐতিহ্য, কারুশিল্প ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা কারিগরি দক্ষতা। ব্র্যান্ডটির লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশি লাক্সারি ফ্যাশন হাউস হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা, যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ শিল্প–ঐতিহ্য আধুনিক কতুরের সঙ্গে মিশে যাবে, কিন্তু নকশার প্রতিটি স্তরে স্পষ্ট থাকবে বাংলাদেশের নিজস্ব পরিচয়। এই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছেন ৫০০-এর বেশি কারিগর। হ্যান্ড এমব্রয়ডারি, হাতে অলংকরণ, বস্ত্রকাজ, পোশাকের বিভিন্ন ধাপের কাজসহ নানা ঐতিহ্যবাহী কৌশলে দক্ষ এসব কারিগরই হাউস অব আহমেদের ক্রাফটসম্যানশিপের অন্যতম ভিত্তি। বিশেষ করে অত্যন্ত কারুকাজপূর্ণ একটি কতুর তৈরিতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পোশাকের প্রতিটি স্তরের সূচিকর্ম, অলংকরণ ও শেষ কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজন হয় দীর্ঘ সময়, ধৈর্য ও অভিজ্ঞ কারিগরের দক্ষতা।

লাক্সারি মেড ইন বাংলাদেশ

এই কারুশিল্পের ভিত্তি থেকেই হাউস অব আহমেদের ‘লাক্সারি মেড ইন বাংলাদেশ’ ভাবনার জন্ম। ব্র্যান্ডটির কাছে এর অর্থ শুধু দেশের মাটিতে তৈরি বিলাসবহুল পোশাক নয়; বরং বাংলাদেশের পরিচয়, কারুশিল্প, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে বিশ্বমানের লাক্সারি ফ্যাশন তৈরি করা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের কারুশিল্প ও সৃজনশীলতাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায় হাউস অব আহমেদ, যেখানে তা বৈশ্বিক লাক্সারি ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে সমান মর্যাদায় জায়গা করে নিতে পারে। অর্থাৎ শিকড় থাকবে বাংলাদেশে, কিন্তু দৃষ্টি থাকবে বিশ্বে।

নতুন প্রজন্মের জন্য ইলাফ

‘চ্যাপ্টার টু’-এর অন্যতম নতুন সংযোজনের নাম ‘ইলাফ’। এটি মূলতে তাঁদের সাব ব্র্যান্ড। হাউস অব আহমেদের মূল নকশাদর্শন ও কারুশিল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই নতুন এ উদ্যোগের লক্ষ্য আরও তরুণ ও সমকালীন ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানো। যাঁরা পোশাকে নকশা, মান ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দেন, আবার একই সঙ্গে চান এমন কিছু, যা বিভিন্ন উপলক্ষেও সহজে পরা যায়—ইলাফ মূলত তাঁদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি। মূল কতুর হাউসের পরিচয় অক্ষুণ্ন রেখেই আরও বিস্তৃত ক্রেতা ও বিভিন্ন ধরনের উপলক্ষের জন্য জায়গা তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য। হাউস অব আহমেদ যেখানে কতুর, অনুষ্ঠান ও বিশেষ আয়োজনের লাক্সারিতে বেশি কেন্দ্রীভূত, ইলাফ সেখানে হবে আরও স্বচ্ছন্দ—ঐতিহ্যনির্ভর, তবে বহুমুখী। দুটির ভিত্তিতেই থাকবে কারুশিল্প, তবে নকশার ভাষা ও ক্রেতার অভিজ্ঞতা হবে আলাদা।

বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া থেকে বিশ্ব

হাউস অব আহমেদের নতুন অধ্যায়ের সূচনা শুধু একটি নতুন আউটলেট উদ্বোধনের ঘটনা নয়; বরং ব্র্যান্ডটির ভবিষ্যৎ যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশকে ভিত্তি করে একটি স্বীকৃত দক্ষিণ এশীয় লাক্সারি ফ্যাশন হাউস হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা, যার ক্রেতা থাকবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। এই লক্ষ্য পূরণে কতুরকে আরও শক্তিশালী করা, খুচরা বিক্রয়ের পরিসর ও আন্তর্জাতিক উপস্থিতি বাড়ানো, ইলাফের মতো নতুন উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া এবং হাউস অব আহমেদের নকশার ভিত্তি—কারুশিল্পে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তাই ‘চ্যাপ্টার টু’-এর গল্প শুধু নতুন পোশাক, নতুন অন্দরসজ্জা কিংবা নতুন ঠিকানার নয়। এটি ঐতিহ্যকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার, কারুশিল্পকে সমকালীন লাক্সারির সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত করার এবং বাংলাদেশের নিজস্ব পরিচয়কে সামনে রেখে বিশ্বমানের লাক্সারি ফ্যাশনের একটি স্বতন্ত্র ভাষা তৈরির গল্প। সেই গল্পের নামই  রিইমাজিনিং লাক্সারি।

ছবি: হাউস অব আহমেদ

Read full story at source