Clairet Lipide

Jubilation as Clark secures dramatic US Open win

· Sydney Morning Herald

‘শক্ত থাকার ভান করি’

· Prothom Alo

‘লায়লা মজনু’, ‘বুলবুল’, ‘কলা’, ‘ও রোমিও’, ‘ধড়ক ২’ এবং ‘অ্যানিমেল’-এর পর তৃপ্তি দিমরির অভিনয়জীবনের আরেক উল্লেখযোগ্য সংযোজন মা বাহেন। সুরেশ ত্রিবেণীর ছবিটিতে জয়া চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন অভিনেত্রী। মুম্বাইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে এক আড্ডায় ছবির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে সমালোচনা, ক্যারিয়ারের সিদ্ধান্ত এবং নারীকে ঘিরে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন অভিনেত্রী।

Visit truewildslot.com for more information.

আড্ডার শুরুতেই উঠে আসে শুটিংয়ের কথা, ‘“মা বহেন”-এ কাজ করে আমি ভীষণ আনন্দ পেয়েছি। প্রতিদিন শুটিংয়ে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকতাম, আর শুটিং শেষ হওয়ার পর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ছবির প্রচারের সময়ও একই রকম উচ্ছ্বাস ছিল। কারণ, এই টিমের সঙ্গে দেখা হলেই মনে হয়, যেন নিজের পরিবারের কাছেই ফিরে এসেছি।’

নেটফ্লিক্সের ডার্ক কমেডিটিতে মাধুরী দীক্ষিতের মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তৃপ্তি। পর্দায় মা-মেয়ের রসায়ন দর্শকদের নজর কেড়েছে। এই রসায়নের নেপথ্যে ছিল দীর্ঘ প্রস্তুতি। ‘ছবির শুরুর দিকেই আমাদের একাধিক ওয়ার্কশপ হয়েছিল। আমার মনে হয়, সেখানেই আমরা শুধু সহশিল্পী হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও একে অপরকে চিনতে পেরেছিলাম। সেই কারণেই সেটে গিয়ে আর কোনো দূরত্ব বা অস্বস্তি অনুভব করিনি। আমরা যেন সত্যিই একটি পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছিলাম, আর মা-মেয়ের সম্পর্কটাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এই বোঝাপড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল,’ বললেন বুলবুল অভিনেত্রী। তবে ছবিতে মা-মেয়ের খুনসুটির পাশাপাশি তর্ক-বিতর্কও রয়েছে। মাধুরী দীক্ষিতকে পাল্টা জবাব দেওয়ার দৃশ্য করতে গিয়ে নাকি প্রথম দিকে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন তৃপ্তি। সায়সূচক হাসি দিয়ে তৃপ্তি বললেন, ‘(মাধুরী) ম্যামকে জবাব দিতে হবে ভেবে দুবার ভাবতাম। কিন্তু উনি সব সহজ করে দিয়েছিলেন। ম্যাম বলতেন, “এই মেয়ে আমাকে যা বলার বলো, যা করার করো।”’

তৃপ্তি দিমরি। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

আড্ডায় নিজের শৈশবের একটি স্মৃতিও ভাগ করে নেন তিনি। ‘আমাদের পাড়ায় দুজন অবিবাহিত ও আধুনিক চিন্তার নারী ছিলেন। সমাজ তাঁদের নিয়ে নানা কথা বলত, তাঁদের থেকে দূরে থাকতে বলা হতো। তখন হয়তো বুঝতাম না, কিন্তু আজও সেই স্মৃতি আমার মনে গেঁথে আছে। এই ছবির গল্প শুনে তাঁদের কথাই মনে পড়েছিল। তখনই মনে হয়েছিল, এই ছবির অংশ আমাকে হতেই হবে।’ তৃপ্তির মতে, সমাজ যাঁদের অকারণে বিচার করেছে, তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা এবং একধরনের ক্ষমাপ্রার্থনার বার্তাই তুলে ধরে ‘মা বহেন’।

‘ভুলভুলাইয়া ৩’-এর পর মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে তৃপ্তির এটি দ্বিতীয় কাজ। যদিও আগের ছবিতে তাঁদের একসঙ্গে খুব বেশি দৃশ্য ছিল না। ‘ওই ছবিতে বিশাল কাস্ট ছিল। আমরা আলাদা আলাদা দৃশ্যে ছিলাম। একসঙ্গে হয়তো দু-তিনটি দৃশ্য করেছি। কিন্তু ‘মা বহেন’-এর মাধ্যমে আমি মাধুরী ম্যামের অনেক কাছাকাছি আসতে পেরেছি,’ বলেন তিনি। শুরুতে কিছুটা নার্ভাসও ছিলেন। ‘উনি একজন তারকা, একজন সুপারস্টার। জীবনে কখনো ভাবিনি, তাঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব। যখন প্রথম সেই সুযোগ এল, আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলাম।’

তৃপ্তি দিমরি। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

অ্যানিমেল ছবি ঘিরে হওয়া সমালোচনার প্রসঙ্গেও খোলামেলা ছিলেন তৃপ্তি, ‘অনেক সময় আমি শক্ত থাকার ভান করি এবং বলি, এসব আমাকে প্রভাবিত করে না। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা সেভাবে কাজ করে না। কোথাও না কোথাও এসব আমাকে কষ্ট দেয়।’ তবে সমালোচনা তাঁর আত্মবিশ্বাস নষ্ট করতে পারেনি। ‘এটি এমন একটি ছবি, যেটিতে আমি কাজ করেছি এবং এটি আমি নিয়ে গর্বিত। এই ছবিতে এমন কিছু নেই, যা নিয়ে আমি গর্বিত নই,’ বলেন অভিনেত্রী। তিনি যোগ করেন, ‘“বুলবুল”, “লায়লা মজনু”, “মা বহেন” কিংবা “অ্যানিমেল”—আমার প্রতিটি ছবি নিয়েই আমি গর্বিত।’

বলিউডে শীর্ষে তৃপ্তি দিমরি

চরিত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজেকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতেই পছন্দ করেন তৃপ্তি। বুলবুল বা কলা-র মতো ব্যতিক্রমী চরিত্রের পরও নিজেকে একই জায়গায় আটকে রাখতে চাননি। তাঁর ভাষ্যে, ‘একই ধরনের চরিত্র করে গেলে একজন অভিনেতার বিকাশ হয় না। শুরু থেকেই আমার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন ধরনের চরিত্র করা।’ তিনি বলেন, ‘যখন “মা বহেন”-এর প্রস্তাব পাই, তখন মনে হয়েছিল, এটা তো ভীষণ কঠিন। আমি এটা কীভাবে করব? আর যখন এমন অনুভূতি হয়, তখনই বুঝতে পারি, এটাই আমার করা উচিত।’

নারীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও তৃপ্তির আক্ষেপ রয়েছে। ‘আমার মনে হয়, এটা ন্যায্য নয়। আমরা খুব দ্রুত বিচার করে ফেলি। আর শুধু মেয়েটিকেই।’ “মা বহেন”-এর মতো ছবির মাধ্যমে সেই মানসিকতার বিরুদ্ধেই কথা বলতে চান তৃপ্তি দিমরি।

তৃপ্তি দিমরি। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

Read full story at source

Full list of nominees at the 2026 Logie Awards

· The Age